মঙ্গলবার, জুন ২৫, ২০২৪

কে এই সোফিয়া ফিরদৌস

by ঢাকাবার্তা
সোফিয়া ফিরদৌস

ডেস্ক রিপোর্ট ।।

ওড়িশার বারাবতী-কটক বিধানসভা আসন থেকে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন তিনি। ৩২ বছরেই রেকর্ড করেছেন সোফিয়া ফিরদৌস। তিনি ওড়িশার প্রথম মুসলিম মহিলা বিধায়ক।

ওই আসনে বিজেপির পূর্ণচন্দ্র মহাপাত্রকে ৮০০১ ভোটে হারিয়েছেন সোফিয়া। এর আগে ওড়িশায় কোনও মুসলিম মহিলা বিধায়ক হননি। এই প্রসঙ্গে সোফিয়া বলেন, ‘‘আমি আগে এক জন ওড়িয়া, এক জন ভারতীয় এবং এক জন মহিলা। চাকরি করার সময়ও মহিলাদের উন্নয়নের কথা ভেবেছি। নিজেকে মুসলিম রাজনীতিক হিসাবে কখনও ভাবিনি।’’

সোফিয়ার কাছে রাজনীতি নতুন নয়। তিনি রাজনৈতিক পরিবারেরই মেয়ে। সোফিয়ার বাবা হলেন মহম্মদ মোকিম। তিনি প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের ভোটে বাবার হয়ে প্রচার করেছিলেন তিনি। এবার নিজেই প্রার্থী।

সোফিয়ার কাছে রাজনীতি নতুন নয়। তিনি রাজনৈতিক পরিবারেরই মেয়ে। সোফিয়ার বাবা হলেন মোহাম্মদ মুকিম। তিনি প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের ভোটে বাবার হয়ে প্রচার করেছিলেন তিনি। এবার নিজেই প্রার্থী।

২০২৪ সালের বিধানসভা ভোটে মুকিমের বদলে সোফিয়াকে টিকিট দিয়েছিল কংগ্রেস। তাদের পরিকল্পনা সফলও হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সোফিয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁর বাবা লড়তে পারবেন না জেনে, তাঁদের বাড়িতে জড়ো হয়েছিলেন প্রায় ৫০০ সমর্থক। তাঁদের অনুরোধেই রাজি হন সুফিয়া।

কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক পাশ করেন সোফিয়া।

২০২২ সালে বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট (আইআইএম) থেকে এগ্‌জ়িকিউটিভ জেনারেল ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম পাশ করেছেন সোফিয়া।

২০২২ সালে বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট (আইআইএম) থেকে এগ্‌জ়িকিউটিভ জেনারেল ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম পাশ করেছেন সোফিয়া।

২০২৩ সালে কনফেডারেশন অফ রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশনস অফ ইন্ডিয়ার ভুবনেশ্বর শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন সোফিয়া। এই সংগঠনের মহিলা শাখারও প্রধান ছিলেন তিনি।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগে বাবার সংস্থা ‘মেট্রো বিল্ডার্স প্রাইভেট লিমিটেড’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সোফিয়া। তাঁর স্বামী মিরাজ উল হক বিশিষ্ট শিল্পপতি।

সোফিয়া ফিরদৌস

সোফিয়া ফিরদৌস

সিআইআই- ইন্ডিয়ান গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের ভুবনেশ্বর বিভাগেরও কো-চেয়ারপার্সন তিনি। সোফিয়া জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে মাত্র এক মাস সময় পেয়েছিলেন তিনি। সেই সময়েই মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছেন। বারাবতী-কটক আসনে মশা এবং নিকাশী সমস্যাকে প্রাচের হাতিয়ার করে তুলেছেন তিনি। আক্রমণ করেছেন ওড়িশার প্রাক্তন শাসকদল বিজেডিকে। তাতেই সাফল্য।

বারাবতী-কটক বিধানসভা আসনেই ১৯৭২ সালে জয়ী হয়েছিলেন নন্দিনী শতপথী। তিনি ওড়িশার প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। অতীতে সোফিয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, নন্দিনীর দ্বারা তিনি অনুপ্রাণিত।

২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নবীন পট্টনায়েক এবং তাঁর দল বিজেডির ভরাডুবি হয়েছে। ২৪ বছর ধরে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নবীন। এ বার ভোটে হেরেছেন। ওড়িশায় মোট বিধানসভা আসনের সংখ্যা ১৪৭। তার মধ্যে ৭৮টি আসনে জয়ী বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনেও ওড়িশায় বিজেপির জয়জয়কার। ২১টি আসনের মধ্যে ২০টিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ২০১৯ সালে তারা পেয়েছিল ১২টি আসন।

বাকি একটি আসনে জয়ী কংগ্রেস। বিজেডি একটি আসনও পায়নি।

You may also like

প্রকাশক : জিয়াউল হায়দার তুহিন

সম্পাদক : হামীম কেফায়েত

গ্রেটার ঢাকা পাবলিকেশন
নিউমার্কেট সিটি কমপ্লেক্স
৪৪/১, রহিম স্কয়ার, নিউমার্কেট, ঢাকা ১২০৫

যোগাযোগ : +8801712813999

ইমেইল : news@dhakabarta.net