বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৪

‘দই বেচে বই’-খ্যাত জিয়াউল হকের পাশে দাঁড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জিয়াউল হক প্রতিষ্ঠিত পাঠাগারের জন্য একটি ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। একইসেঙ্গে তার প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি সরকারিকরণের ব্যবস্থা করা যায় কি-না সে উদ্যোগও নেবেন বলে জানান তিনি।

by ঢাকাবার্তা ডেস্ক
‘দই বেচে বই’-খ্যাত জিয়াউল হকের পাশে দাঁড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার।।

দই বিক্রি করে জীবন ধারণের পাশাপাশি সেই টাকায় গড়ে তোলেন লাইব্রেরি ও একটি বিদ্যায়তন। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি পরিচিত ‘দই বেচে বই’ হিসেবে।  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তঘেঁষা ভোলাহাট উপজেলার মুসরিভূজা গ্রামের বাসিন্দা সেই জিয়াউল হক (৯১) এবার একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। সমাজসেবা ক্যাটাগরিতে তাকে পদক দেওয়া হয়। অবদানের জন্য প্রশংসা করে তার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জিয়াউল হক প্রতিষ্ঠিত পাঠাগারের জন্য একটি ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। একইসেঙ্গে তার প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি সরকারিকরণের ব্যবস্থা করা যায় কি-না সে উদ্যোগও নেবেন বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রয়ারি) সকালে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট ব্যক্তির মাঝে ‘একুশে পদক-২০২৪’ প্রদানকালে দেওয়া প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করি। এখানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদান যারা রেখেছেন তাদেরকে যতদূর সম্ভব আমরা সম্মাননা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। যারা ভাষা, সাহিত্য শিল্প, কলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন তাদের পুরস্কৃত করতে পেরে আমরা ধন্য হয়েছি এবং তাদের আমার আন্তরিক অভিনন্দন।

জিয়াউল হক দই বিক্রির টাকায় আরও অনেক সেবামূলক কাজ করছেন। স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বই দেওয়াসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অনুদান দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউল হককে পুরস্কৃত করতে পেরে আমরা আনন্দিত এই জন্য যে, আমরা সারা বাংলাদেশে যদি খোঁজ করি এরকম বহু গুণিজন পাব। হয়তো দারিদ্রের কারণে, না হয় কোনও সামাজিক কারণে তারা নিজেদের মেধা বিকাশের সুযোগ পাননি। কিন্তু সমাজকে কিছু তারা দিয়েছেন, মানুষকে দিয়েছেন, সেটাই সবচেয়ে বড় কথা। তারা মানুষের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করেছেন। হয়তো যে অর্থ তিনি উপার্জন করেছেন তা দিয়ে আরও ভালোভাবে বাঁচতে পারতেন, জীবনকে গড়ে তুলতে পারতেন। কিন্তু নিজের উন্নতি বা ভোগ বিলাসের দিকে না তাকিয়ে তিনি জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন যারা লেখাপড়া করতে পারছেনা তাদের জন্য।

যারা সমাজের উচ্চস্তরে আছেন তাদের এই ধরনের ত্যাগী মানুষগুলোকে খুঁজে বের করারও অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী।

 

আরও পড়ুন: একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

You may also like

প্রকাশক : জিয়াউল হায়দার তুহিন

সম্পাদক : হামীম কেফায়েত

গ্রেটার ঢাকা পাবলিকেশন
নিউমার্কেট সিটি কমপ্লেক্স
৪৪/১, রহিম স্কয়ার, নিউমার্কেট, ঢাকা ১২০৫

যোগাযোগ : +8801712813999

ইমেইল : news@dhakabarta.net