বুধবার, মে ২২, ২০২৪

ন্যাটোর কোনও দেশ আক্রমণের পরিকল্পনা নেই রাশিয়ার: পুতিন

তবে পশ্চিমারা ইউক্রেনে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান চালানোর জন্য যোদ্ধা সরবরাহ করলে সে বিমান অবশ্যই গুলি করে ধ্বংস করবে রুশ বাহিনী।

by ঢাকাবার্তা ডেস্ক
ন্যাটোর কোনও দেশ আক্রমণের পরিকল্পনা নেই রাশিয়ার: পুতিন

বিদেশ ডেস্ক।।

পোল্যান্ড, বাল্টিক রাজ্য বা চেক প্রজাতন্ত্রের মতো ন্যাটোর কোনও দেশ আক্রমণ করবে না রাশিয়া। তবে পশ্চিমারা ইউক্রেনে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান চালানোর জন্য যোদ্ধা সরবরাহ করলে সে বিমান অবশ্যই গুলি করে ধ্বংস করবে রুশ বাহিনী। বুধবার (২৭ মার্চ) গভীর রাতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই কথা বলেছেন।  ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে রাশিয়ার। ১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পর থেকে পশ্চিমের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের গভীরতম সংকটের সূত্রপাত করেছে ইউক্রেন-রাশিয়ার এই যুদ্ধ।

রাশিয়ান বিমান বাহিনীর পাইলটদের সঙ্গে কথা বলার সময় পুতিন বলেছিলেন, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো পূর্ব দিকে রাশিয়াকে লক্ষ্য করে প্রসারিত হয়েছিল। তবে ন্যাটোর কোনও একটি রাষ্ট্রে আক্রমণ করার কোনও পরিকল্পনা ছিল না মস্কোর।  বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ক্রেমলিন ট্রান্সক্রিপ্টে বলা হয়েছে, পুতিন বলেছেন, ‘এই রাষ্ট্রগুলোতে কোনও প্রকার আক্রণের উদ্দেশ্য আমাদের নেই। আমরা অন্য কোনও দেশে আক্রমণ করব—পোল্যান্ড, বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো এবং চেকদেরও এমন ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ধারণাটি সম্পূর্ণ বাজে। এটি একটি বাজে কথা।’

রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে অর্থ, অস্ত্র এবং বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সমর্থন করছে বলে অভিযোগ করেছিল রাশিয়া।  দেশটি এখন বলছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক সম্ভবত কখনও খারাপ হয়নি। ইউক্রেনে পশ্চিমাদের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পাঠানোর সম্পর্কে জানতে চাইলে পুতিন বলেন, এ ধরনের বিমান ইউক্রেনের পরিস্থিতিতে কোনও পরিবর্তন আনবে না।

পুতিন বলেছিলেন, ‘তারা যদি এফ-১৬ সরবরাহ করে এবং দৃশ্যত পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেয় তবে এটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন করবে না। আমরা বরং বিমানটিকে ধ্বংস করব ঠিক যেভাবে আজ আমরা ট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া যান এবং একাধিক রকেট লঞ্চার সহ অন্যান্য সরঞ্জাম ধ্বংস করেছি।’

পুতিন বলেছেন, এফ-১৬ পারমাণবিক অস্ত্রও বহন করতে পারে। তিনি বলেছিলেন, ‘তারা যদি সেগুলো তৃতীয় দেশের বিমানঘাঁটি থেকে ব্যবহার করে, তবে সেগুলো যেখানেই অবস্থান করুক না কেন তা অবশ্যই আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।’

এর আগের দিন, ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বলেছিলেন, আগামী মাসগুলোর মধ্যেই এফ-১৬ বিমান ইউক্রেনে পৌঁছানো উচিত। তার ওই মন্তব্যের পর এমন মন্তব্য করেছেন পুতিন। রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। তবে বেশ কয়েক মাস ধরেই এফ-১৬ যুদ্ধবিমান চেয়ে আসছে ইউক্রেন।

বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং নেদারল্যান্ডসসহ আরও কিছু দেশ ইউক্রেনকে এফ-১৬ সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দেশগুলোর একটি জোট সেসব বিমান ব্যবহারের জন্য ইউক্রেনীয় পাইলটদের প্রশিক্ষণে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।

 

আরও পড়ুন: মস্কো হামলার সন্দেহভাজনদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে

You may also like

প্রকাশক : জিয়াউল হায়দার তুহিন

সম্পাদক : হামীম কেফায়েত

গ্রেটার ঢাকা পাবলিকেশন
নিউমার্কেট সিটি কমপ্লেক্স
৪৪/১, রহিম স্কয়ার, নিউমার্কেট, ঢাকা ১২০৫

যোগাযোগ : +8801712813999

ইমেইল : news@dhakabarta.net