মঙ্গলবার, জুন ২৫, ২০২৪

রাজউকের চোখ এখন সাতমসজিদ রোডের সেই ভবনে

অভিযানের বিষয়ে রাজউকের জোন-৫/৩ এর অথরাইজড অফিসার গণমাধ্যমকে বলেন, 'ভবনটি বাণিজ্যিক অনুমোদন নেওয়া। কিন্তু এখানে যে রেস্তোরা ব্যবসা হচ্ছে, সেটি সম্পর্কে রাজউক অবগত নয়। রাজউক থেকে কোনো অকুপেন্সি সনদ নেয়নি ভবন কর্তৃপক্ষ।

by ঢাকাবার্তা ডেস্ক
রাজউকের চোখ এখন সাতমসজিদ রোডের সেই ভবনে

রাজধানী ডেস্ক।।

বেইলি রোডের ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরপরই আলোচনায় এসেছে সাতমসজিদ রোডের গাউসিয়া টুইন পিক ভবনটি। ভবনটির নকশাকার স্থপতি মুস্তাফা খালিদ পলাশ ভবনের ঝুঁকি নির্ণয় করে নিজের ফেসবুক পোস্টে ভোক্তাদের সেখানে যেতে নিষেধ করে একটি স্ট্যাটাস দেন। ওই স্ট্যাটাসের পর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ভবনের ছবি। ভবনটিতে অন্তত ২০টি রেস্তোরা রয়েছে। এক ভবনে এত রেস্তোরা থাকায় ঝুঁকির মাত্রাও বেড়ে গেছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ভবনটি নিয়ে তুমুল আলোচনার মধ্যেই আজ রবিবার (৩ মার্চ) দুপুরে পরিদর্শনে যায় রাজউকের জোন-৫-এর পরিচালক মো. হামিদুল ইসলামেরনেতৃত্বে একটি দল। তারা সেখানে পুরো ভবনের ব্যবহার যাচাই-বাছাই করে জানান, ভবনটিতে অনেক ক্ষেত্রেই অনিয়ম ঘটেছে।

অভিযানের বিষয়ে রাজউকের জোন-৫/৩ এর অথরাইজড অফিসার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভবনটি বাণিজ্যিক অনুমোদন নেওয়া। কিন্তু এখানে যে রেস্তোরা ব্যবসা হচ্ছে, সেটি সম্পর্কে রাজউক অবগত নয়। রাজউক থেকে কোনো অকুপেন্সি সনদ নেয়নি ভবন কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া অনুমোদন ছিল ১৪ তলার, সেখানে তারা করেছে ১৫ তলা। শুধু তাই নয়। সিভিল অ্যাভিয়েশনের নির্দেশনা অনুযায়ী হাইট থাকার কথা ১৫০ ফুট, করেছে ১৯০ ফুট।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভবনটিতে থাকা রেস্তোরায় তাদের ইচ্ছেমতো এসি ব্যবহার করেছে। এসব কারণে ঝুঁকি বেড়ে গেছে।’

ভবনটির রেস্তোরা ব্যবসায়ীদের নেতা ও রেস্তোরা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এহসান আনোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভবনের অকুপেন্সি সনদ আমাদের বিষয় না। আমরা ট্রেড লাইসেন্স, ডিসি অফিসের সনদ, ফায়ার সার্ভিসের সনদ, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সনদ নিয়েই ব্যবসা করছি। ভবনের ব্যবহার সনদ দেখার দায়িত্ব ডেভেলপার্সদের।’

এহসান আনোয়ার আরও বলেন, ‘আমাদের রেস্তোরা অনেক নিরাপদ। এই ভবনটিতে দুটি জরুরি নির্গমন সিঁড়ি রয়েছে। তাছাড়া চারদিকে খোলা জায়গা রয়েছে। তাই যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটেও থাকে, তাহলে জরুরি বের হওয়ার পথ রয়েছে।’

পরিদর্শন শেষ করে রাজউকের দল ভবনটির বিষয়ে কোনো সময় বেঁধে দেয়নি। টেকনিক্যাল কমিটি বসে ভবনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান কর্মকর্তারা।

 

 

আরও পড়ুন: রাজধানীজুড়ে রেস্তোরাঁয় পুলিশের ধরপাকড়

You may also like

প্রকাশক : জিয়াউল হায়দার তুহিন

সম্পাদক : হামীম কেফায়েত

গ্রেটার ঢাকা পাবলিকেশন
নিউমার্কেট সিটি কমপ্লেক্স
৪৪/১, রহিম স্কয়ার, নিউমার্কেট, ঢাকা ১২০৫

যোগাযোগ : +8801712813999

ইমেইল : news@dhakabarta.net