ফাহাম আব্দুস সালাম ।।
এনপিএকে শুভেচ্ছা। অনেক আগেই আমার মনে হয়েছিলো বাংলাদেশে সেন্টার লেফটের আসলে কোনো দল নাই। বাংলাদেশে যে ডানপন্থার উত্থান হয়েছে – এর বিপরীতে অন্তত ১০% ভোটব্যাংকের একটা উপস্থিতি আছেই আছে। কিন্তু এদের রেপ্রেজেন্ট করার কোনো দল নাই। এই শূন্যস্থানটা এনপিএ পরিপূর্ণ করুক এই কামনা করি।
৩টি কথা!
এক: ভুলেও ফ্ল্যাট স্ট্রাকচারে যাবেন না। সিনিয়র, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের দলে টানবেন। বামপন্থীদের একটা অসুখ হোলো তারা রাজনৈতিক দল বানাতে গিয়ে স্টাডি সার্কেল বানায় ফেলে। আপাতত মানুষ জোগাড় করেন। নো প্রব্লেম। কিন্তু পরে হায়ারার্কি বানাবেন – বেজড অন কম্পিটেন্স। সব ধরনের মানুষকে এন্ট্রি দিবেন। জামাতের মতো গরিবের ইহুদি হবেন না। শুচিবায়ু য়ে করবেন না। রাজনৈতিক দলে সব টাইপ লোক লাগে। বেশি দরকার হয় উদ্যমী চুতিয়া (অনুদ্যমী চুতিয়া শুধু ঘ্যান ঘ্যান করে। খাইষ্টা।)। এদেরকে জায়গা দেবেন।
দুই: নতুন দলের সবচেয়ে ইম্পরট্যান্ট বিষয় হলো ফেইস অফ পার্টি। আপনাদের একজন মাহা মির্জা/জোনায়েদ সাকী লাগবে। সিরিয়াস, কম্পিটেন্ট, আর্টিকুলেট ও দেখতে সুন্দর। একটা পলিটিকালি ইনকারেক্ট কথা বলি। আমাকে এক চাচা বলেছিলেন (ডোন্ট জাজ মি আল্লাহর ওয়াস্তে): পার্টি লীডার দেখতে সুন্দর না হলে বাঙালি ভোট দেয় না। প্রশ্ন করেছিলাম হাসিনা তো দেখতে সুন্দর না। শাকচুন্নি শুধু সব্জি না খেয়ে হাই-কার্বোহাইড্রেট ও হাই-ফ্যাট ডায়েটে গেলে তারে লাগতো হাসিনার মতো (আপনারা যারা শাকচুন্নি আছেন তাদেরকে ভূত-শেইমিং করার জন্য মাফ চাইছি)। তার উত্তর ছিলো শেখ মুজিব তো দেখতে সুন্দর (আই এগ্রি)। সবচেয়ে বড় কথা: ফেইস অফ পার্টি যেন কোনো ভাবেই কোনো জোকার না হয়।
তিন: পাবলিক য়ুনিভার্সিটি-বেইজড ভাই-বেরাদারী থেকে বাইর হবেন। প্রাইভেট য়ুনিভার্সিটির দিকে নজর দিয়েন। হিউজ পোটেনশিয়াল।
আপনাদের যাত্রা সুন্দর হোক। বাংলাদেশের পক্ষে রাজনীতি করুন। shudhu কালচারাল পলিটিক্স করলে আপনারা দ্রুতই বড়দের বয়-স্কাউট হয়ে যাবেন। এমনভাবে রাজনীতি করুন যেন আপনারা পার্লামেন্টে যেতে পারেন। মানববন্ধনের দরকার আছে। মানি। কিন্তু ঐটাই যেন আপনাদের পুরা রাজনীতি না হয়ে যায়।
আপনাদের সবার জন্য আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা (নামটা কিন্তু ভালো হৈছে)
যাইতে পারি নাই। মাফ করে দিয়েন।
লেখক: সোশ্যাল মিডিয়া বুদ্ধিজীবী