ডেস্ক রিপোর্ট ।।
রশিদ খান হাসছেন, তবে আনন্দে নয়—অবিশ্বাসে। সহজ ক্যাচও ফেললেন তিনি! ট্রাভিস হেডের ক্যাচ ছিল এটি, মিড অনে রশিদের হাত থেকে পড়ল। ফারুকির পরের বলেই হেডের ছক্কা! ৬ রানে জীবন পাওয়া হেড ৩৪ বলে ফিফটি করলেন। প্রথম পাওয়ার প্লেতেই অস্ট্রেলিয়ার ৯০ রান—টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ।
২৭৪ রানের লক্ষ্যে এমন শুরু মানেই জয়ের সম্ভাবনা কয়েক গুণ। ১২.৫ ওভারে ১০৯ রান তুলে এগোচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া, তবে বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ।
ম্যাচ পরিত্যক্ত, দুই দল পেল ১ পয়েন্ট করে। তাতে কোনো ক্ষতি হয়নি অস্ট্রেলিয়ার, ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষে সেমিফাইনালে তারা।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা হারলে আফগানিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার সমান ৩ পয়েন্ট হবে। তবে রান রেটে পিছিয়ে থাকায় আফগানদের সম্ভাবনা ক্ষীণ।
২০১৯ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় হাতছাড়া করেছিল আফগানরা। এবার হারিয়ে সেমিফাইনালে গেলে সেই আক্ষেপ মিটত, কিন্তু ফিল্ডার ও ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় সেটি কঠিন হয়ে গেল।
সেদিকউল্লাহ আতাল ৯৫ বলে ৮৫ রান করে মঞ্চ প্রস্তুত করেছিলেন। তবে পরের ব্যাটসম্যানরা তা কাজে লাগাতে পারেননি।
আতালের বিদায়ের পর ১৭ রানেই ফিরলেন অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ। নবী ও নাইব দ্রুত ফেরায় ১৯৯ রানেই ৭ উইকেট হারায় আফগানিস্তান।
ওমরজাই ও রশিদের ৩৬ রানের জুটি, এরপর নূরের সঙ্গে ৩৭ রানের জুটিতে স্কোর পৌঁছায় ২৭৩-এ। ওমরজাই করলেন ৬৩ বলে ৬৭ রান।
অস্ট্রেলিয়া দিল ১৭ ওয়াইডসহ ৩৭ অতিরিক্ত রান—যা তাদের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ইনিংসে তৃতীয় সর্বোচ্চ অতিরিক্ত রানের রেকর্ড এটি।