ডেস্ক রিপোর্ট ।।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, দেশটির সরকার কয়েকটি দেশের ওপর নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য কোনো তালিকা প্রস্তুত করছে—এমন খবর সত্য নয়।
পররাষ্ট্র দপ্তর স্পষ্ট করে বলেছে যে, আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের মিশনে সহায়তাকারী আফগানদের পুনর্বাসনে তাদের প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রয়েছে এবং কোনো তালিকা তৈরি করা হয়নি।
সম্প্রতি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস জানিয়েছেন, ২০ জানুয়ারি জারি করা একটি নির্বাহী আদেশের পর ট্রাম্প প্রশাসন ভিসা নীতির ব্যাপক নিরাপত্তা পর্যালোচনা করছে। তবে তিনি আফগানিস্তানকে সম্পূর্ণ ভিসা স্থগিতাদেশের তালিকায় থাকার দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।
“এমন কোনো তালিকা নেই। সম্প্রতি যে তালিকার কথা বলা হচ্ছে, সেটি আমাদের এখানে নেই এবং এটি কার্যকর করা হচ্ছে না,” বলেন ব্রুস।
তিনি আরও জানান, এই পর্যালোচনা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা জোরদার করতে ভিসা নীতির উন্নতির অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।
এর আগে, একটি খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয় যেখানে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ইরানসহ ৪১টি দেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন মাত্রার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করা হয়।
রয়টার্সের হাতে আসা এক স্মারকে বলা হয়েছে, তালিকার প্রথম পর্যায়ে থাকা দেশগুলোর (আফগানিস্তান, ইরান, সিরিয়া, কিউবা ও উত্তর কোরিয়া) জন্য সম্পূর্ণ ভিসা স্থগিতের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় দলে থাকা পাঁচটি দেশের জন্য পর্যটন, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য অভিবাসী ভিসায় আংশিক নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করা হয়েছে, কিছু ব্যতিক্রমসহ।
তৃতীয় দলে থাকা ২৬টি দেশ, যার মধ্যে বেলারুশ, পাকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান রয়েছে, তাদের সরকারগুলো ৬০ দিনের মধ্যে ভিসা সংক্রান্ত ঘাটতি দূর করতে না পারলে আংশিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে বলে স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে।