খেলা ডেস্ক।।
প্রথম টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ ২০ ওভারে ২০৩/৮
শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ২০৬/৩
শেখ মেহেদী হাসান ১১ বলে করলেন ১৬ রান। তার ইনিংস ছোট হলেও বাংলাদেশের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল। জাকের আলীর সঙ্গে ২৭ বলে ৬৫ রানের জুটি গড়ে ফিরে যান তিনি। ২০ ওভারে বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ২০৪।
হাফ সেঞ্চুরিতে আশার আলো দেখাচ্ছেন জাকের
দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে মাহমুদউল্লাহ বিদায় নেওয়ার পরও বাংলাদেশের আশা বেঁচে আছে। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে হাল ধরেছেন জাকের আলী। মেহেদী হাসানের সঙ্গে ২১ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েন তিনি। ১৭তম ওভারের শেষ বলে মাথিশা পাথিরানাকে চার মেরে ২৫ বল খেলে হাফ সেঞ্চুরি করেন জাতীয় দলে প্রথমবার খেলতে নামা এই ব্যাটার। শেষ তিন ওভারে ৩৭ রান দরকার বাংলাদেশের।
দারুণ ইনিংস খেলে মাহমুদউল্লাহর বিদায়
৩০ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ অন্ধকার দেখছিল। মাহমুদউল্লাহ নেমে আলো দেখাতে লাগলেন। ২০৭ রানের কঠিন লক্ষ্যে নেমেও বাংলাদেশ দুর্দান্ত লড়াই গড়ে তোলে। নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ। ২৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করে তিনি আলোকবর্তিকার রূপ নেন। কিন্তু আর বেশিদূর এগোতে পারলেন না। মাহিশ ঠিকশানার বলে লং অনে আভিষ্কা ফার্নান্ডোর ক্যাচ হন তিনি। ৩১ বলে ২ চার ও ৪ ছয়ে ৫৪ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। জাকের আলীর সঙ্গে তার জুটি ছিল ৪৭ রানের। ১১৫ রানে পঞ্চম উইকেট হারালো বাংলাদেশ।
হাফ সেঞ্চুরি করলেন মাহমুদউল্লাহ
তরুণ ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে অভিজ্ঞতার পাল্লায় এগিয়ে থাকা মাহমুদউল্লাহ মারকুটে ব্যাটিং করলেন হাফ সেঞ্চুরি। ২৭ বল খেলে ২ চার ও ৪ ছয়ে ফিফটি করেন তিনি।
তাওহীদ হৃদয় আউট হলে ক্রিজে নামেন মাহমুদউল্লাহ। পঞ্চম ওভারে নিজের প্রথম বলেই ছক্কা মারেন তিনি। শুরুর মতো আক্রমণাত্মক খেলে গেছেন ডানহাতি ব্যাটার। ২৭ রানে সাদিরা সামারাবিক্রমার হাত ফসকে জীবন পান মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয় জীবনের অপচয় না করে তিনি দলের হাল ধরেছেন।
২৭ রানে জীবন পেলেন মাহমুদউল্লাহ
আকিলা ধনঞ্জয়ার দ্বিতীয় ওভারে মাহমুদউল্লাহ ২৭ রানে থামতে পারতেন। কিন্তু সাদিরা সামারাবিক্রমা তাকে জীবন দিলেন। লঙ্কান ফিল্ডারের হাত ফসকে বল বাউন্ডারিও ছাড়িয়ে যায়। ১০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৭৮ রান।
ব্যাটিংয়ে আশাহত করলেন শান্ত
আগে ব্যাটার, পরে অধিনায়ক- এভাবে নিজেকে পরিচয় করাতে চেয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। স্থায়ী অধিনায়ক হিসেবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে শুরু হলো তার যাত্রা। কিন্তু ব্যাটিংয়ে আশাহত করলেন এই ব্যাটার। ২২ বলে ৩ চারে ২০ রান করেছেন শান্ত। মাথিশা পাথিরানার বল খেলতেই পারলেন না তিনি। শ্রীলঙ্কার পেসার নবম ওভারে বল হাতে নেন। তার মুখোমুখি হয়ে প্রথম দুই বাউন্সার ব্যাটে লাগাতে পারেননি। আরেকটি বল খেলতে গিয়ে ব্যাটে লাগালেন, কিন্তু স্কয়ার লেগে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের ক্যাচ হলেন অধিনায়ক। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়ে ফিরে গেলেন শান্ত। ৬৮ রানে চার উইকেট নেই স্বাগতিকদের।
পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের রান ৪৩
পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ে খুব বেশি ফারাক নেই। ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করেছে ৪৩ রান। আর শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ২ উইকেটে করেছিল ৪৫ রান।
ছয় মেরে ইনিংস শুরু করা হৃদয় ৮ রানে আউট
সৌম্য সরকার আউট হওয়ার পর ক্রিজে নামেন তাওহীদ হৃদয়। প্রথম বলেই ছক্কা মারেন তিনি। কিন্তু পরের তিন বলে আর দুটি রান যোগ করতে পারলেন। পঞ্চম বলে বাজে শট খেলতে গিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হলো তাকে। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের বলে কট বিহাইন্ড হন তিনি। ব্যাটে বল লাগার শব্দ স্পষ্ট হলেও নাজমুল হোসেন শান্তর পরামর্শে রিভিউ নেন হৃদয়। তবে আম্পায়ারের আগের সিদ্ধান্ত বহাল ছিল। মাত্র ৮ রান করা হৃদয় রিভিউও নষ্ট করে গেলেন। ৩০ রানে ৩ উইকেট হারালো বাংলাদেশ। ম্যাথুজ পেলেন তার দ্বিতীয় উইকেট।
লিটনের পর সৌম্যকে হারালো বাংলাদেশ
বিনুরা ফার্নান্ডোর আগের ওভারে দুটি চারে দর্শকদের উল্লাসে মাতান সৌম্য সরকার। শ্রীলঙ্কা বোলার তার প্রথম ওভারে দেন ১১ রান। অবশ্য পরের ওভারে বাংলাদেশের ওপেনারকে ফেরান বাঁহাতি পেসার। মিড অফে চারিথ আসালাঙ্কার ক্যাচ হন সৌম্য। চতুর্থ ওভারে ২১ রানে ২ উইকেট হারালো বাংলাদেশ। ১১ বলে ২ চারে ১২ রান করেন সৌম্য।
লিটন আউট, বাংলাদেশের রানের খাতা খুললো ওয়াইডে
কঠিন লক্ষ্যে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হলো বাজে। প্রথম দুই বল দেখেশুনে খেললেও পরের বলে আউট হলেন লিটন দাস। শূন্যতে বিদায় নেন তিনি কুশল মেন্ডিসের ক্যাচ হয়ে। উইকেট গেছে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের পকেটে। কোনও রান না করেই উইকেট হারানো বাংলাদেশ রানের খাতা খুলেছে ওয়াইডে।
আরও পড়ুন: ফরচুন বরিশাল বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন
