ক্রিকইনফো ।।
আইপিএল ২০২৫-এ রাজস্থান পরাজয়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। মুল্লানপুরে পাঞ্জাব কিংসকে (পিবিকেএস) ৭ উইকেটে হারিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেল দলটি। ফলে ১০ পয়েন্ট নিয়ে তারা উঠে এসেছে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে।
বোলিংয়ে কৃপণতা দেখিয়ে পাঞ্জাব কিংসকে ১৫৭ রানে আটকে দেয় আরসিবি। এরপর ব্যাট হাতে আবারও জ্বলে উঠলেন ‘চেজমাস্টার’ বিরাট কোহলি। আইপিএলে এটি তাঁর ৬৭তম পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস—যা টুর্নামেন্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ। কোহলির অপরাজিত ৭৩ রানের পাশাপাশি দেবদত্ত পাডিক্কালের ৬১ রানে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বেঙ্গালুরু।
পাওয়ারপ্লেতে দুর্দান্ত সূচনা পায় পাঞ্জাব। ছয় ওভারে স্কোরবোর্ডে তোলে ৬২ রান। প্রভসিমরন সিং এবং প্রিয়ংশ আর্য ঝড় তোলেন শুরুতেই। বিশেষ করে তৃতীয় ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারকে তিনটি চার হাঁকান প্রভসিমরন।

ম্যাচ সেরা বিরাট কোহলি
এরপরই খেলা ঘুরিয়ে দেন আরসিবির স্পিনাররা। প্রথম বলেই প্রভসিমরনকে ফেরান ক্রুনাল পান্ড্য। এরপর শেয়ার করেন সয়াশ শর্মা ও ক্রুনাল। শেয়ার করেন পাঁচটি উইকেট। মধ্য ওভারে মাত্র ৬৭ রান তোলে পাঞ্জাব, হারায় পাঁচটি উইকেট। ফলে ছন্দপতন ঘটে তাদের ইনিংসে।
শেষ চার ওভারে পাঞ্জাবের দুই সেট ব্যাটার মারকো জানসেন ও শশাঙ্ক সিং থাকলেও, ভুবনেশ্বর ও হ্যাজলউড জোড়ায় জ্বলে ওঠেন। এই চার ওভারে মাত্র ২৮ রান দেন তাঁরা, সঙ্গে আটটি ইয়র্কার করেন। একটি ছক্কা ছাড়া কোনো বাউন্ডারি আসেনি। এতে ১৫৭ রানের মধ্যেই আটকে যায় পাঞ্জাব।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ফিল সল্টকে হারালেও, কোহলি-পাডিক্কাল জুটি ১০৩ রান যোগ করেন। পাডিক্কাল ৩০ বলে তুলে নেন আইপিএল ২০২৩ সালের পর তাঁর প্রথম ফিফটি। আক্রমণাত্মক মেজাজে তিনি ৬১ রান করে ফেরেন। অন্যদিকে ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে কোহলি ৫৪ বলে ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং দলকে জয় এনে দেন।
