বিদেশ ডেস্ক।।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। রাজধানী তাইপেসহ বিভিন্ন এলাকায় শত শত ভোটক্রেন্দ্রে ভোটাররা ভোট দিয়েছেন। চীনের ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষ ভোটে তাইওয়ানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। এরপর থেকে গণতান্ত্রিক যাত্রা ধরে রেখেছে দেশটি।এবারের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) তৃতীয় মেয়াদে জয়ী হতে পারে বলে বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাইওয়ানের স্বাধীনতার পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়ে কাজ করে আসছে ডিপিপি।
নির্বাচনে লাইয়ের অপর দুই প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন তাইওয়ানের সবচেয়ে বড় বিরোধী দল কুয়োমিনতাং (কেএমটি) পার্টির হো ইয়ু ইহ এবং তাইওয়ান পিপলস পার্টির (টিপিপি) নেতা কো ওয়েন-জে। তাইওয়ানের সংবিধান অনুসারে, কোনো নাগরিক সেখানে টানা দুই বারের বেশি প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে পারেন না। তাই এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি ভূখণ্ডটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন।
তাইওয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তা সত্ত্বেও দেশটিকে সামরিক সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। চীনের আশঙ্কা মার্কিনিদের সহায়তায় একটা সময় স্বাধীনতা চেয়ে বসবে তাইওয়ান। বাইডেন প্রশাসনের আশঙ্কা নতুন নির্বাচন এবং তাইওয়ানের নতুন প্রশাসন বেইজিংয়ের সঙ্গে চলমান দ্বন্দ্ব আরও বৃদ্ধি করবে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রও চীনের সঙ্গে তাদের ক্রমবৃদ্ধিমান খারাপ সম্পর্ক ভালো করার চেষ্টা করছে। গত নভেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়া সম্মেলনে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিনয়ের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেছিলেন। তাইওয়ানের সরকার আশঙ্কা করছে নির্বাচনের পর তাদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করতে চীন সামরিক মহড়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালাবে।
