শুক্রবার, মার্চ ১৩, ২০২৬

আরাফাতের ময়দানে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন

by ঢাকাবার্তা
জাবালে রহমত বা রহমতের পাহাড়ে হাজী সাহেবরা

সৌদি প্রতিনিধি ।। 

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’—এই হৃদয়ছোঁয়া ধ্বনি গুঞ্জরিত হয়েছে আরাফাতের মরুভূমিতে। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা লাখো মুসলমান আজ হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ আদায়ে উপস্থিত হন এই ঐতিহাসিক প্রান্তরে। চোখে অশ্রু, মুখে তলব—একটাই আরজি, আল্লাহর নৈকট্য ও ক্ষমা।

হাজারো হাজির মুখে সারা দিন প্রতিধ্বনিত হয়েছে—‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’। কেউ দাঁড়িয়েছেন জাবালে রহমতের নিচে, কেউ মসজিদে নামিরার পাশে, কেউ পাহাড়ঘেঁষা স্থানে। আল্লাহর করুণা ও পরকালীন মুক্তির আশায় তাঁরা বারবার কান্নাভেজা চোখে তুলেছেন হাত।

‘এই জায়গায় নবীজি দাঁড়িয়েছিলেন—এমন অনুভূতি ভাষায় প্রকাশযোগ্য নয়।’—বলেছেন মিসরের মারওয়া আল-সাঈদ। তাঁর মতো অনেকেই বিশ্বাস করেন, এই স্থানে উপস্থিত হওয়াই ক্ষমার বড় সুযোগ।

এবারের খুতবা দেন শায়েখ সালেহ বিন হুমাইদ। তিনি মুসলিম উম্মাহর শান্তি, পারস্পরিক ভালোবাসা, এবং ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা ও খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য দোয়া করেন। বাংলায় লাইভ অনুবাদ করেন বাংলাদেশের মুহাম্মদ খলিলুর রহমান মাক্কী।

৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে হাজিদের জন্য ছায়া, ঠান্ডা বাতাস, কুলিং ফ্যান ও বরফ বিতরণ করেছে কর্তৃপক্ষ। ৫০ হাজার বর্গমিটার নতুন ছায়াযুক্ত স্থান প্রস্তুত ও ৪০০ কুলিং ইউনিট স্থাপন করা হয়।

মসজিদে নামিরায় এক আজানে দুই ইকামতে হাজিরা জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন। বিদায় হজের স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই ময়দানে।

সূর্যাস্তের পর হাজিরা মাগরিব না পড়ে রওনা হন মুজদালিফার উদ্দেশে। সেখানে গিয়ে একসঙ্গে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করেন এবং খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করেন।

আজ শুক্রবার সকালে হাজিরা বড় জামারাতে সাতটি পাথর নিক্ষেপ করেন। এরপর পশু কোরবানি ও পুরুষদের মাথা মুন্ডন। এভাবে পরবর্তী দুই দিনে বাকি জামারাতে পাথর নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

You may also like

Publisher : Khaled Saifullah Jewel
Editor : Hamim Kefayat
15/1, Paridas Road, Banglabazar, Dhaka 1100, Bangladesh
Contact : +8801712813999,
Mail : news@dhakabarta.net