শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬

দেশের সড়কে চালানো যাবে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত ক্ষমতার মোটরসাইকেল

৩৭৫ সিসির মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নিতে হলে, তা হতে হবে দেশে উৎপাদিত

by ঢাকাবার্তা ডেস্ক
দেশের সড়কে চালানো যাবে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত ক্ষমতার মোটরসাইকেল

মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সড়কে ৩৭৫ সিসি (ইঞ্জিন ক্ষমতা) পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে ৩৭৫ সিসির মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নিতে হলে, তা হতে হবে দেশে উৎপাদিত। এত দিন দেশের সড়কে ১৬৫ সিসির ওপর মোটরসাইকেল চলাচলের সুযোগ ছিল না।

আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, দেশীয় শিল্প খাতের বিকাশ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিদ্যমান ১৬৫ সিসির পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল নিবন্ধন করা যাবে। মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের মোটরসাইকেলের বাজার বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, দেশে ২০১৭ সাল পর্যন্ত মোটরসাইকেলের সিসির সীমা ছিল ১৫৫। ওই বছর আগস্টে তা বাড়িয়ে ১৬৫ সিসি করা হয়। পুলিশের ক্ষেত্রে অবশ্য কোনো ইঞ্জিন ক্ষমতার সীমা ছিল না।

মোটরসাইকেল আমদানিকারকেরা সব সময় সিসির সীমা বাড়াতে তৎপর ছিলেন। তবে বিরোধিতা করে পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হতো, অপরাধীরা উচ্চ সিসির মোটরসাইকেল ব্যবহার করে অপরাধ করলে তাদের ধরা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি বিআরটিএ সামনে আনে দুর্ঘটনার ঝুঁকিকে।

সিসির সীমা তুলে নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে ২০২০ সালের শেষ দিকে। তখন ইফাদ অটোস বাংলাদেশে রয়েল এনফিল্ড ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছিল। জাপানি ব্র্যান্ড কাওয়াসাকি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ২০২০ সালের ৫ ডিসেম্বর একটি চিঠি দিয়ে সিসির সীমা ২৫০-এ উন্নীত করার আবেদন করে। উল্লেখ্য, রয়েল এনফিল্ডের তুলনামূলক কম সিসির কোনো মোটরসাইকেল নেই।

ইফাদ অটোসের চেষ্টা দেশে কারখানা করা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে বাধার মুখে পড়ে। তাদের বক্তব্য ছিল, হঠাৎ সিসির সীমা তুলে নেওয়া হলে দেশের বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শুধু দেশে উৎপাদনের শর্তে উচ্চ সিসির মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ আমদানির অনুমতি দেওয়া যায়। সে অনুযায়ী আমদানি নীতি তৈরি হয়েছিল।

অবশ্য এর আগেই রানার অটোমোবাইলসকে শুধু রপ্তানির শর্তে ৫০০ সিসি ক্ষমতার মোটরসাইকেল উৎপাদনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

বাংলাদেশে এখন ৯টির মতো মোটরসাইকেল কারখানা হয়েছে। সরকার ২০১৮ সালে মোটরসাইকেল শিল্প উন্নয়ন নীতি করে, যেখানে ২০২৭ সালের মধ্যে দেশে ১০ লাখ মোটরসাইকেল উৎপাদনের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এখন বছরে ছয় লাখ মোটরসাইকেল বিক্রি হয়।

 

আরও পড়ুনঃ সুইস রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে বিএনপির তিন নেতার মধ্যাহ্নভোজ

You may also like

Publisher : Khaled Saifullah Jewel
Editor : Hamim Kefayat
15/1, Paridas Road, Banglabazar, Dhaka 1100, Bangladesh
Contact : +8801712813999,
Mail : news@dhakabarta.net